Wednesday, March 4, 2026
Home Blog Page 20

প্যারাগুয়েকে ৪:১ হারিয়েছে ব্রাজিল

0

নেভাদায় আজ ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ব্রাজিল। বাঁ প্রান্ত দিয়ে পরপর দুইবার আক্রমণে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। যদিও শেষ পর্যন্ত গোল আসেনি। সমালোচনার জবাব দিতেই হয়তো আজ শুরু থেকে গতিময় ও প্রত্যয়ী ছিলেন ভিনি।

প্যারাগুয়ে চেষ্টা করছিল ভিনিসহ ব্রাজিলের আক্রমণের গতি নষ্ট করার। ১৫ মিনিটে অবশ্য খেলার ধারার বিপরীতে গোলটা প্রায় পেয়েই গিয়েছিল প্যারাগুয়ে। বক্সের বাইরে থেকে দামিয়ান বোবাদিয়ার শট ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মিলিতাওয়ের গায়ে লেগে জালে জড়াতে গেলে দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আলিসন। প্যারাগুয়ে এ সময় চেষ্টা করছিল বল নিজেদের পায়ে রেখে ব্রাজিলকে সহজাত খেলাটা খেলতে না দেওয়ার।

এর মধ্যে আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ম্যাচের ৩০ মিনিটে ব্রাজিলকে পেনাল্টি উপহার দিয়ে বসে প্যারাগুয়ে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল। পেনাল্টি মিস করেন লুকাস পাকেতা। কিন্তু ৩৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে ঠিকই গোল আদায় করে নেয় ব্রাজিল।

ম্যাচের শুরু থেকে গতিময় ও দুর্দান্ত খেলতে থাকা ভিনিসিয়ুস দারুণ ফিনিশিংয়ে এগিয়ে দেন ব্রাজিলকে। গোল খেয়ে জেগে ওঠার চেষ্টা করে প্যারাগুয়ে। পরপর দুবার আক্রমণেও যায় তারা। কিন্তু সমতা ফেরাতে পারেনি।

উল্টো ৪৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলও আদায় করে নেয় তারা। দারুণ এক আক্রমণ থেকে শুরুতে রদ্রিগোর শট প্রতিহত হলেও ফিরতি শটে ঠিকই বল জালে জড়ান সাভিও। এই গোলের পর দুই দলের খেলোয়াড়েরা সংঘাতেও জড়ায়। তবে গোল ও সংঘাতের রেশ কাটার আগেই বিরতির আগ মুহূর্তে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল আদায় করে নেন ভিনিসিয়ুস। ব্রাজিলের বিদ্যুৎ গতির আক্রমণে রদ্রিগোকে ঠেকিয়ে দেয় প্যারাগুয়ে ডিফেন্স, কিন্তু ছুটে শটে দারুণ এক শটে ঠিকই গোল আদায় করে নেন ভিনিসিয়ুস।

বিরতির পর ৪৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ওমর আলদারেতের দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান ৩-১ করে ব্রাজিল। এক গোল শোধ করে ব্রাজিলের ওপর চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করে প্যারাগুয়ের। এর মধ্যে আলিসন বাধা না হলে ব্যবধান ৩-২ করতে পারত প্যারাগুয়ে। তবে প্যারাগুয়ে দ্বিতীয় গোল না পেলেও ব্রাজিল ঠিকই চতুর্থ গোলটি আদায় করে নেয়। ৬৩ মিনিটে ফের বক্সের ভেতর হ্যান্ডবলের কারণে ফের পেনাল্টি উপহার পায় ব্রাজিল।

প্রথমবারের মতো এবারও শট নিতে আসেন পাকেতা। তবে এবার আর ভুল করেননি। ব্রাজিলকে এনে দেন ম্যাচের চতুর্থ গোল। চার গোল খেয়ে ম্যাচে ফেরার আর কোনো সুযোগ ছিল না প্যারাগুয়ের। উল্টো ৮১ মিনিটে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার কুবাস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় প্যারাগুয়ের জন্য। যদিও আর কোনো গোল হজম করেনি তারা।

আফগানদের হারিয়ে প্রথম বার ফাইনালে আফ্রিকা

0

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১১.৫ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫৬ রান তোলে আফগানিস্তান। জবাবে ৮.৫ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৯ উইকেটের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত হলো প্রোটিয়াদের। এবারের আসরে খেলা আট ম্যাচের সবকটিতেই জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। 

সহজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। দলীয় ৫ রানের মাথায় ফজল হক ফারুকীর বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন কুইন্টন ডি কক। ৮ বলে ৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর এইডেন মার্করামকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন রেজা হেনরিকস। এই দুইজনের ব্যাটে ৬৭ বল হাতে রেখে সহজেই জয় তুলে নেয় প্রোটিয়ারা।

এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি আফগানরা। প্রথম ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মার্কো ইয়ানসেন। প্রথম ওভারের শেষ বলে তার করা ফুল লেংথ ডেলিভারিতে কভার ড্রাইভের চেষ্টা করেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তবে, সফল হতে পারেননি। ব্যাটের কানায় লেগে প্রথম স্লিপে ধরা পড়েন তিনি। খুলতে পারেননি রানের খাতাই।

এরপর ক্রিজে এসেও থিতু হতে পারেননি আরেক ব্যাটার গুলবাদিন নাইব। তাকে ফিরিয়ে পরপর দুই ওভারে দুই উইকেট নেন ইয়ানসেন। বাঁহাতি পেসারের অফ স্টাম্প লাইনে পিচ করে হালকা ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে পরাস্ত নাইব বোল্ড হয়ে ধরেন ড্রেসিং রুমের পথ। ৮ বল ৯ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

এরপর চতুর্থ ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই সাফল্য পান তারকা পেসার কাগিসো রাবাদা। দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন ওপেনার ইব্রাহিম জাদরানকে। ৫ বলে ২ রান করেন তিনি। এরপর চাপ সামাল দেওয়ার দায়িত্বটা পরে মোহাম্মদ নবীর ওপর। তবে, তিনিও থিতু হতে পারেননি। রাবাদার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারির কোনো জবাবই দিতে পারলেন না অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। স্টাম্প উড়িয়ে নিজের প্রথম ওভারে জোড়া সাফল্যের আনন্দে মাতলেন রাবাদা। সবমিলিয়ে মাত্র ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে আফগানরা। মাঝে আরও দুই উইকেট হারায় আফগানরা।

ত্রিশের আগে ৬ উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ার অভিযানে কিছুটা পথ এগিয়েছিলেন রশিদ খান ও কারিম জানাত। তবে তাদের বেশি দূর যেতে দেননি তাবরিজ শামসি। দশম ওভারে আক্রমণে এসেই ২২ রানের জুটি ভাঙেন বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার। এক বল পর নুর আহমেদকে ফেরান শামসি। ৫০ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে অল্পেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে আফগানিস্তান। এরপর শামসির ফুল লেংথে করা টার্নিং ডেলিভারি ব্যাটে লাগাতে পারেননি জানাত। জোরালো আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। দ্রুত রিভিউ নেন আফগান অলরাউন্ডার। রিপ্লেতে দেখা যায়, ‘উইকেট’র বেলায় এসেছে আম্পায়ার্স কল। অর্থাৎ আম্পায়ার নট আউট দিলে হয়তো বেঁচে যেতেন ১৩ বলে ৮ রান করা জানাত।

আগের ওভারেই আনরিক নরকিয়ার সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছিল রশিদ খানের। নতুন ওভারে বোলিংয়ে এসে দারুণ ডেলিভারিতে রশিদকে বোল্ড করে যেন ব্যক্তিগত লড়াইটি শেষ করলেন নরকিয়া।  ২ চারে ৮ বলে ৮ রান করে ফেরেন রশিদ। ৫০ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে শেষমেশ ৫৬ রানে থামে দলটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে দক্ষিণ আফ্রিকা

0

আজ সোমবার (২৪ জুন) অ্যান্টিগার স্যার রিচার্ডস স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৩৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে, বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ১৬.১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩ উইকেটের জয়ে শীর্ষে থেকেই সেমি নিশ্চিত করল প্রোটিয়ারা।

১৩৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল দুই ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও রেজা হেনরিকস। তবে, দ্বিতীয় ওভারেই রানের খাতা না খুলেই রাসেলের বলে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার। তার বিদায়ের পর একই ওভারে ডি কককে ফেরান রাসেল। ৭ বলে ১২ রানের বেশি আসেনি তার ব্যাট থেকে।

এরপরই বৃষ্টির হানা। প্রায় ঘণ্টা খানেক বন্ধ থাকে খেলা। যার ফলে কাটা পড়ে ৩ ওভার। ১৭ ওভারে প্রোটিয়াদের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৩ রান। সেই লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দলীয় ৪২ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন এইডেন মার্করাম। ১৫ বলে ১৮ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। সেই চাপ সামলে দলকে এগিয়ে নেন ত্রিস্টান স্টাবস ও হেনরিখ ক্লাসেন। এই জুটিতে যোগ হয় আরও ৩৫ রান।

দলীয় ৭৭ রানের মাথায় ক্লাসেনের বিদায়ে বড় ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০ বলে ২২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। এরপর দলীয় ৯৩ রানে আরেক বিশ্বস্ত ব্যাটার ডেভিড মিলারের বিদায়ে বিপাকে পড়ে দলটি। ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি। শেষ ৩০ বলে তখন প্রয়োজন ২৯ রান।

যে বিপদ আরও বাড়ে স্টাবসের বিদায়ে। দলীয় ১০০ রানে বিদায় নেন এই ব্যাটার। পুরো চিত্র একাই বদলে দেন স্পিনার রোস্টন চেজ। মাত্র দুই ওভারেই তিন উইকেট তুলে নেন তিনি। শেষমেশ লেজের সারির ব্যাটারদের দৃঢ়তায় জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দলীয় ২ রানের মাথায় শাই হোপের উইকে হারায় দলটি। এরপর ৫ রানের মাথায় ফেরেন আরেক ব্যাটার নিকোলাস পুরাণ। শুরুতে এই দুই উইকেট হারালেও পরবর্তীতে দারুন এক জুটি গড়ে ক্যারিবীয়রা। ৮১ রানের জুটি গড়েন কাইল মায়ার্স ও রোস্টন চেজ। ৩৪ বলে ৩৫ রান করে ফেরেন মায়ার্স।

আর তার বিদায়ের পর ফেরেন আরেক ব্যাটার রোভম্যান পাওয়েল। ২ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষমেশ ১৩৫ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন স্পিনার তাবরিজ শামসি।

হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও লড়াই চলবে

0

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, হামাসের সঙ্গে ‘আংশিক’ যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য তার দেশ প্রস্তুত। হামাস সব পণবন্দিকে মুক্তি না দিলেও কিছুসংখ্যক পণবন্দির মুক্তির বিনিময়ে হলেও তিনি গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি করতে আগ্রহী। গতকাল রোববার (২৩ জুন) ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এই কথা জানান।নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো পণবন্দিদের হামাসের কবল থেকে ফিরিয়ে আনা এবং গাজায় হামাসকে শাসন ব্যবস্থা থেকে উৎখাত করা।’ তিনি আরও জানান, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অবসান ঘটাবে এমন কোনো চুক্তিতে তিনি রাজী নন। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের পণবন্দি প্রত্যাবর্তন চুক্তি হলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের পথ তৈরি হবে।
এদিকে, গত শনিবার (২ জুন) থেকে চরম মাত্রায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নেমেছে ইসরায়েলের সাধারণ জনগণ।  দফায় দফায় ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে হাজার হাজার ইসরায়েলি নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সমাবেশ করছে। তাদের দাবি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা এবং বন্দিদের ফেরত আনার জন্য কার্যকর চুক্তির বাস্তবায়ন করা।

গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব ঘোষণা করেছিলেন।  সেখানে উল্লেখ্য করা হয়, ছয় সপ্তাহের জন্য গাজায় যুদ্ধ বিরতির পাশাপাশি হামাসের কাছে থাকা ইসরায়েলি বন্দিদের ‍মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দেওয়া হবে। এই চুক্তি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনার পথ সুগম করবে।

যদিও মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তারা হামাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু চ্যানেল-১৪ কে আরও বলেন, ‘রাফায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান প্রায় শেষ। হামাসের বিরুদ্ধেও যুদ্ধের তীব্র পর্যায় শেষের পথে। এর অর্থ এই নয় যুদ্ধ শেষ হতে চলেছে, আমরা রাফায় ভয়াবহ সামরিক অভিযানের সমাপ্তি টানছি।  গাজা থেকে হামাসকে উৎখাত করে আমরা স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের নিয়ে একটি বেসামরিক প্রশাসন গঠন করতে চাই যাতে গাজায় মানবিক সাহায্যপণ্য সরবরাহ বজায় থাকে এবং পরে বেসামরিক জনগণের জন্য সুষ্ঠু ও সুন্দর বাসস্থান তৈরি করা যায়।’

আট মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই যুদ্ধে ৩৭ হাজার ৫৯৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। কয়েক লাখ মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। শিশু, নারী, বৃদ্ধ প্রতিদিনই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। ভেঙে পেড়েছে খাদ্য সরবরাহ ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের কাজ।

বড় ধরনের মুনাফা করেছে ৮ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী

0

চলতি বছরের মে মাসে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৮টি কোম্পানির শেয়ার থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বড় পরিমাণে মুনাফা তুলেছে। আলোচ্য মাসে তারা কোম্পানিগুলোর ৫.২৬ শতাংশ থেকে ১১.৩৭ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছে। ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো-সেন্ট্রাল ফার্মা, ই-জেনারেশন, গোল্ডেন সন, লাভেলো আইসক্রীম, মালেক স্পিনিং, ওয়াইম্যাক্স, প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্স ও সালভো কেমিক্যাল লিমিটেড।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মে মাসে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম ২৫ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এই সুযোগে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিগুলোর শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলেছে।

মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে ই-জেনারেশনের। আলোচ্য মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিটির ১১.৩৭ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছে। কোম্পানিটিতে ৩০ এপ্রিল তাদের শেয়ারের পরিমাণ ছিল ৩৭.২১ শতাংশ। যা ৩১ মে এসে দাঁড়িয়েছে ২৫.৮৪ শতাংশে। আলোচ্য মাসে কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইতে ৩২ টাকা থেকে ৫২ টাকায় ওঠেছিল।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মে মাসে এরপর বেশি শেয়ার বিক্রি করেছে ওয়াইম্যাক্সের। আলোচ্য মাসে কোম্পানিটির ১০.৬১ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানিটিতে ৩০ এপ্রিল তাদের শেয়ার ছিল ২১.৫৯ শতাংশ। যা ৩১ মে এসে দাঁড়িয়েছে ১২.১১ শতাংশে। আলোচ্য মাসে কোম্পানিটির শেয়ার ডিএসইতে ২৩ টাকা থেকে ৩৪ টাকায় ওঠেছিল।

একইভাবে মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার বিক্রি করেছে ৯.৪৮ শতাংশ, প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্সের ৮.৬৩ শতাংশ, সালভো কেমিক্যালের ৭.৬৬ শতাংশ, গোল্ডেন সনের ৬.৭৪ শতাংশ, লাভেলো আইসক্রীমের ৬.৩৩ শতাংশ এবং সেন্ট্রাল ফার্মার ৫.২৬ শতাংশ।

বিপরীতে মে মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ১টি কোম্পানিটির শেয়ারে ৫ শতাংশের বেশি শেয়ার কিনেছে। কোম্পানিটি হলো সেন্ট্রাল ইন্সুরেন্স। আলোচ্য মাসে তারা কোম্পানিটির ৮.৩৫ শতাংশ শেয়ার কিনেছে। যার ফলে ৩০ এপ্রিল সেন্ট্রাল ইন্সরেন্সে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের থাকা ১৭.২৩ শতাংশ শেয়ার ৩১ মে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫.৫৮ শতাংশে।

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আফগানিস্তান

0

সেন্ট ভিনসেন্টে আজ অস্ট্রেলিয়াকে ১৪৯ রানের লক্ষ্য দিয়ে ২১ রানে হারিয়েছে আফগানরা। আফগানিস্তানের বোলারদের দাপটে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ১২৭ রানে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি আফগানিস্তানের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ জয়।

অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দিয়েছেন মূলত গুলবদিন। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার। তিনি আউট করেছেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, টিম ডেভিড ও প্যাট কামিন্সকে। বোলিংয়ে তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন আফগানিস্তানের অন্য বোলাররা। ট্রাভিস হেডকে শূন্য রানে ফেরানো নাভিন উল হকও ২০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

প্রথম ওভারে হেডকে ফেরানো নাভিন তৃতীয় ওভারে ফেরান অধিনায়ক মিচেল মার্শকে। এরপর ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে ডেভিড ওয়ার্নাকে আউট করেন মোহাম্মদ নবী। ৩২ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ৩৯ রানের জুটি গড়েন ম্যাক্সওয়েল ও স্টয়নিস। এরপরই মুলত গুলবদিন ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। তাঁর বাউন্সারে ইনিংসের ১১তম ওভারে আউট হন স্টয়নিস। টিম ডেভিডও উইকেটে থিতু হতে পারেননি। তাঁকেও আউট করেছেন গুলবদিন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ টানা ৮ ম্যাচ জেতার পর হার দেখল অস্ট্রেলিয়া।

এর আগে শুরুটা দারুণ করে আফগানিস্তান। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান ওপেনিংয়ে গড়েন ১১৮ রানের জুটি। যদিও তুলনামূলক কঠিন উইকেটে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের সামনে খুব একটা দ্রুত গতিতে রান তুলতে পারেননি তাঁরা। দুজনে ১১৮ রানের জুটি গড়েছেন ৯৫ বলে। ৪৮ বলে ৫১ রান করেছেন ইব্রাহিম। গুরবাজ করেছেন ৪৯ বলে ৬০।

এমন জুটির পর বড় একটা সংগ্রহই হওয়ার কথা ছিল আফগানিস্তানের। তবে শেষ ৫ ওভারে মাত্র ২৯ রান করতে পারে তারা। এর কারণ প্যাট কামিন্সের হ্যাটট্রিক। বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবারও হ্যাটট্রিক করেছেন এই পেসার। এবারও দুই ওভার মিলিয়ে তাঁর হ্যাটট্রিক। উইকেট নিয়েছেন ১৮তম ওভারের শেষ বল এবং ২০তম ওভারের প্রথম দুই বলে।

আজ কামিন্সের হ্যাটট্রিকের শুরুটা হয় ১৮ ওভারের শেষ বলে রশিদ খানকে আউট করে। এরপর ২০তম ওভারের প্রথম দুই বলে আউট করেন করিম জানাত ও গুলবদিন নাইবকে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে টানা দুই ম্যাচে কোনো বোলারের হ্যাটট্রিকের ঘটনা এই প্রথম। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিতীয়। এর আগে ১৯৯৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা দুই টেস্টে হ্যাটট্রিক করেছিলেন পাকিস্তান কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম।

বাংলাদেশকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক

0

জলবায়ু সহিষ্ণু ও টেকসই প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করতে বাংলাদেশকে দুই প্রকল্পে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি টাকায় ১০ হাজার ৫৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.২৫ টাকা ধরে)।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড গতকাল শুক্রবার এ ঋণের অনুমোদন দেয়। শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের  ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

একটি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে। জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে। এছাড়া অন্য একটি প্রকল্পে দেয়া হচ্ছে ৪০০ মিলিয়ন ডলার।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট এবং এ প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার বার্নার্ড হ্যাভেন বার্তায় বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়াদের জন্য অর্থের অ্যাক্সেস উন্নত করতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো কার্যকরী আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক খাত শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো গ্রহণ করেছে, যা ব্যাংক পুনরুদ্ধার কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। কম মূলধনী ব্যাংকগুলো সমস্যা মোকাবিলার জন্য একটি দ্রুত সংশোধনমূলক কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। এটি অর্থনৈতিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিও শক্তিশালী করবে বলে জানান তিনি।

টিকে থাকার লড়ায়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত

0

তিন ম্যাচের প্রথমটি হেরে যাওয়া বাংলাদেশের সামনে এখন টিকে থাকার চেষ্টা। সেই লক্ষ্যে আজ ভারতের মুখোমুখি হবে তারা। অ্যান্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

বাংলাদেশ হেরে গেলেও প্রতিপক্ষ ভারত সুপার এইট শুরু করেছে দুর্দান্ত জয় দিয়ে। আফগানিস্তানকে ৪৭ রানে হারিয়ে এই পর্ব শুরু করেন রোহিত-কোহলিরা। ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ বরাবরই সমৃদ্ধ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটিং আক্রমণ তাদের। যুক্তরাষ্ট্রে পিচের দোষে খারাপ খেললেও সুপার এইটের শুরুতেই ১৮১ রানের ইনিংস খেলে দলটি। বাংলাদেশি বোলারদের সামনে তাই এটি বড় চ্যালেঞ্জ।

বোলারদের চ্যালেঞ্জের চেয়ে বেশি ভাবনার বিষয় ব্যাটারদের রানে ফেরা। বড় মঞ্চে রান করতে না পারলে লড়াই করা মুশকিলই হবে। আর ভারতের বিপক্ষে হারলে নিশ্চিত হবে বিদায়। টিকে থাকতে হলে দলগত পারফরম্যান্সের বিকল্প নেই চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যদের সামনে। কারণ, বোলাররা নিজেদের যথেষ্ট প্রমাণ করেছে চলমান আসরে। গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের তিন জয়েই তাদের অবদান।

শক্তির পার্থক্য, র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান, সঙ্গে ইতিহাস-ঐতিহ্যকে বিবেচনায় নিলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবধান পাহাড়সম। তবে, গত কয়েক বছরের মুখোমুখি লড়াইয়ে দৃষ্টি ফেরালে অন্যরকম এক চিত্রই ফুটে ওঠে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রতিবেশি দুই দেশের মুখোমুখি লড়াই রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে।

সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ হারা বাংলাদেশের হাতে এখনও দুটি ম্যাচ বাকি। ভারত ও আফগানিস্তানকে হারাতে পারলে সেমি ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ আছে। সেই প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘আমাদের হাতে দুই ম্যাচ আছে। সেগুলো থেকে পাওয়ার অনেক কিছু আছে। দুটি ম্যাচ জিততে পারলে আমরা আরও ভালো অবস্থানে যেতে পারব। প্রতিটি ম্যাচই জেতার জন্য খেলব। জেতার জন্যই আমরা খেলি।’

মধ্য রাতে হাসপাতালে খালেদা জিয়া

0

গতকাল শুক্রবার (২১ জুন) দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শায়রুল কবির খান বলেন, শুক্রবার দিনগত রাতে বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে এম্বুলেন্সে করে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের পরামর্শে তাকে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ১ মে সন্ধ্যায় গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। ওই সময় স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় তাকে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটলে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও হার্টসহ নানান শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত। গত কয়েক বছরে তাকে কিছু দিন পরপর হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে নেওয়া হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। খালেদা জিয়াকে এর আগে ব্যক্তিগত গাড়িতে হাসপাতালে নেওয়া হলেও এবার তাকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সুপার এইটে যেতে সামনে নতুন সমীকরণ বাংলাদেশের

0

বিশ্বকাপে জমে উঠেছে দলগুলোর সুপার এইটে ওঠার লড়াই। এরমধ্যে শেষ আট নিশ্চিত করেছে সাত দল। বাকি শুধু ‘ডি’ গ্রুপের একটি দল। কারা জায়গা করে নেবে সেই স্থানে, বাংলাদেশ নাকি নেদারল্যান্ডস? সেই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আর কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। কেননা আগামীকালই শেষ হচ্ছে ’ডি’ গ্রুপের লড়াই।

দুই ম্যাচ জিতে বেশ শক্ত অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। পয়েন্টের হিসেবে পিছিয়ে থাকলেও এখনও সম্ভাবনা রয়েছে নেদারল্যান্ডসের। নিজেদের শেষ ম্যাচে যদি দলটি শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয়, তবে বিপাকে পড়তে হবে বাংলাদেশকে। কারণ তখন দেখা হবে দুদলের নেট রানরেট। যে দল এগিয়ে থাকবে, তারাই যাবে সুপার এইটে।

অবশ্য নেদারল্যান্ডসের চেয়ে বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা কিছুটা কম। কারণ নেপালকে হারাতে পারলেই সরাসরি শেষ আট নিশ্চিত হবে শান্তদের। আর হারলে পড়তে হবে সমীকরণের মারপ্যাচে। এবার দেখে নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা-নেপাল ম্যাচের পর সবশেষ সমীকরণ কি দাঁড়াল।

সমীকরণ-১: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে নেদারল্যান্ডসকে করতে হবে ১৪০ রান। লঙ্কানদের হারাতে হবে ৫৩ রানে।

সমীকরণ-২: যদি নেপালের কাছে ৩৮ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে লঙ্কানদের ১৫ রানে হারালে নিশ্চিত হবে নেদারল্যান্ডসের সুপার এইট।

এই সমীকরণ দুইটির কোনোটিই যদি ডাচরা পূরণ করতে না পারে সেক্ষেত্রে নেপালের কাছে হারলেও রান রেটের সুবিধা নিয়ে সুপার এইটে চলে যাবে বাংলাদেশ। তাই নেপাল ম্যাচের আগে এই জটিল সমীকরণও ভাবাচ্ছে বাংলাদেশকে।