Wednesday, March 4, 2026
Home Blog Page 19

পরিচয় মিলল আলোচিত সেই লাস্যময়ী নারীর

0

অবশেষে পরিচয় পাওয়া গেলো সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াই আলোচিত ভাইরাল সেই লাস্যময়ী নারী যে কিনা সাবেক ডেপুটি স্পীকার টুকু সহ পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের অনেক উচ্চ পদস্থ নেতাদের-ই মনোরঞ্জনের খোরাক ছিল। তার নাম মহিমা বিশ্বাস,পিতাঃ মৃত আব্দুর রউফ মালিথা, পাবনা জেলার সদর থানার শালগাড়িয়া, টি বি হাসপাতালের পাশে তার বাসা।

“সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর বাসভবনে”

তিনি পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় কর্মী এবং ডোনার , তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় পাবনা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী হেলেনা’ এবং সাবেক মহিলা এম.পি জলি এর হাত ধরে। ধীরে ধীরে তার সম্পৃক্ততা বাড়ে সাবেক ডেপুটি স্পীকার টুকু সহ পাবনা জেলার সকল বড় বড় নেতা কর্মীদের সাথে।

“পাবনা জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি রেজাউল রহিম লাল এর আলোচনা সভায় মহিমা বিশ্বাস”

একাধিক সূত্রমতে তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আওয়ামীলীগের বড় বড় নেতাদের মনোরঞ্জন করে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। এমনকি আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়েছেন। নিজের এলাকায় করেছেন অসংখ্য চাঁদাবাজি। অপকর্ম, চাঁদাবাজি, এবং প্রভাব বিস্তার করার জন্য তার রয়েছে নিজস্ব বাহিনী। তার বিরুদ্ধে এতদিনও এলাকার কেউ কথা বলতে পারেনি এবং থানায় অভিযোগও  দায়ের করতে পারেনি। এমনকি তার হিংস্র থাবা থেকে বাচতে পারেনি তার নিজ পরিবারেরও অনেক সদস্য।

“পাবনা-৪ আসনের এম পি নুরুজ্জামান বিশ্বাস এর সাথে মহিমা বিশ্বাস”

উল্লেখ্য যে তিনি পাবনা জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল লাতিফ বিশ্বাস এর প্রাক্তন পুত্রবধূ। তার স্বামী মুক্তার বিশ্বাস ২০১৬ সালে মারা যায় কোনো উত্তরাধিকার না রেখেই সেজন্য  তিনি ২০১৯ সালে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে বিয়ে করেন। একাধিক পুরুষ লোভী হওয়ায় এবং সাংসারিক মনোভাব না থাকায় ২০২২ সালে সেই পুলিশ কর্মকর্তা তাকে ডিভোর্স দেন।

এই বিষয়ে পাবনা জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল লাতিফ বিশ্বাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মহিমা বর্তমানে বিশ্বাস পরিবারের কেউ নয়। অতীতে তিনি বিশ্বাস পরিবারের পুত্রবধূ ছিল, কিন্তু আমার ছেলে মারা যাবার পর সে নিজ ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। এরপর থেকে মহিমা এর সাথে আমার বা আমার পরিবারের কারোর সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা বা সম্পর্ক  নেই। আমাদের পরিবার কোন রাজনৈতিক পরিবার না, আপনারা জানেন আমরা পাবনা জেলা এমনকি সমগ্র বাংলাদেশের এক স্বনামধন্য ব্যবসায়িক পরিবার।

“পাবনা জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আ স ম আব্দুর রহিম পাকন এর সাথে মহিমা বিশ্বাস”

মহিমা বিশ্বাস তার নিজ ইচ্ছায় রাজনীতি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সাথে চলাফেরা করেছে এর পেছনে আমাদের পরিবারের কেউ জড়িত না।

মহিমা বিশ্বাস আমার বা আমার পরিবারের নাম ব্যবহার করে যদি কোন প্রকার  চাঁদাবাজি এবং অপরাধ মূলক কাজ করে থাকে তার সকল প্রকার অপকর্মের দায়ভার তার নিজের, এমনকি ভবিষ্যতে সে যদি বিশ্বাস পরিবারের নাম ভাঙ্গিয়ে কোন প্রকার প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করে তবে অবশ্যই ভুক্তভোগীরা আইনগত ভাবে এর ব্যবস্থা গ্রহন করবে। এতে আমি এবং আমার পরিবারের পক্ষ থেকে অবশ্যয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবো।

সোর্স:
পাবনা টুডে ডট কম

সন্ধান মিলল আলোচিত সেই লাস্যময়ী নারীর

0

অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেলো সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়াই আলোচিত ভাইরাল সেই লাস্যময়ী নারী যে কিনা সাবেক ডেপুটি স্পীকার টুকু সহ পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের অনেক উচ্চ পদস্থ নেতাদের-ই মনোরঞ্জনের খোরাক ছিল। তার নাম মহিমা বিশ্বাস,পিতাঃ মৃত আব্দুর রউফ মালিথা, পাবনা জেলার সদর থানার শালগাড়িয়া, টি বি হাসপাতালের পাশে তার বাসা।

“সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুর বাসভবনে”

তিনি পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের একজন সক্রিয় কর্মী এবং ডোনার , তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় পাবনা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী হেলেনা’ এবং সাবেক মহিলা এম.পি জলি এর হাত ধরে। ধীরে ধীরে তার সম্পৃক্ততা বাড়ে সাবেক ডেপুটি স্পীকার টুকু সহ পাবনা জেলার সকল বড় বড় নেতা কর্মীদের সাথে।

“পাবনা জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি রেজাউল রহিম লাল এর আলোচনা সভায় মহিমা বিশ্বাস”

একাধিক সূত্রমতে তিনি মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আওয়ামীলীগের বড় বড় নেতাদের মনোরঞ্জন করে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। এমনকি আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়েছেন। নিজের এলাকায় করেছেন অসংখ্য চাঁদাবাজি। অপকর্ম, চাঁদাবাজি, এবং প্রভাব বিস্তার করার জন্য তার রয়েছে নিজস্ব বাহিনী। তার বিরুদ্ধে এতদিনও এলাকার কেউ কথা বলতে পারেনি এবং থানায় অভিযোগও  দায়ের করতে পারেনি। এমনকি তার হিংস্র থাবা থেকে বাচতে পারেনি তার নিজ পরিবারেরও অনেক সদস্য।

“পাবনা-৪ আসনের এম পি নুরুজ্জামান বিশ্বাস এর সাথে মহিমা বিশ্বাস”

উল্লেখ্য যে তিনি পাবনা জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল লাতিফ বিশ্বাস এর প্রাক্তন পুত্রবধূ। তার স্বামী মুক্তার বিশ্বাস ২০১৬ সালে মারা যায় কোনো উত্তরাধিকার না রেখেই সেজন্য তিনি ২০১৯ সালে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পরও নিজের স্বামীকে রেখে তার ঘনিষ্ঠতা লক্ষ্য করা যায় প্রাক্তন শ্বশুর বাড়ীতে।

“পাবনা জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক আলী মুর্তজা বিশ্বাস সনি এর সাথে মহিমা বিশ্বাস”

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল লাতিফ বিশ্বাস এর সাথে তার পারিবারিক কোনো সম্পর্ক না থাকলেও অন্য কোন ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে ঘনিষ্ঠ কিছু সূত্রমতে জানা যায় শ্বশুরের অঢেল সম্পত্তির লোভে শ্বশুরকে মনরঞ্জন করতেই নাকি বিশ্বাস বাড়িতে তার আনাগোনা।

“পাবনা জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আ স ম আব্দুর রহিম পাকন এর সাথে মহিমা বিশ্বাস”

ভুক্তভগিরা অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্বাস পরিবার এখন কেন তাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছেন ? বিশ্বাস পরিবারের আশ্রয়ে এবং আওয়ামীলীগের আশ্রয়ে তিনি সকল প্রকার অপকর্ম করে থাকেন।

এই বিষয়ে পাবনা জেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল লাতিফ বিশ্বাস এর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

সোর্স:
নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবনা টুডে ডট কম

আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে ওবায়দুল কাদেরের বৈঠক বাতিল

0

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সঙ্গে আপাতত বৈঠকে বসছেন না।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) এ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি হচ্ছে না বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া।

এর আগে গতকাল বুধবার (৩ জুলাই) অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভুঁইয়া গণমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার বৈঠক হবে বলে জানিয়েছিলেন। তবে কী কারণে বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা চতুর্থ দিনের মতো ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ আছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’ এ কিছু বিষয় স্পষ্ট করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষকরা বলেন, তাদের চলমান এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কে পাহাড়ধসে যান চলাচল বন্ধ

0

টানা বৃষ্টিতে সড়কের ওপর পাহাড়ধসের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে খাগড়াছড়ির যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। এতে আটকা পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকেরা।সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। আজ মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপাহার এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভোরে সাপাহার এলাকায় হঠাৎ করে সড়কের ওপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। এতে সড়ক বন্ধ হয়ে যানবাহন চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকেরা।  

ঢাকা থেকে গতকাল রাতে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়ে আটকা পড়েছেন মল্লিকা চাকমা নামের এক যাত্রী। তিনি বলেন, ‘ভোর থেকে গাড়িতে আছি। সকাল সাতটার দিকেও কেউ মাটি সরাতে আসেনি। আর কতক্ষণ লাগতে পারে জানি না।’

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে মাটি সরানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রাজেশ বড়ুয়া। আজ সকাল সোয়া নয়টার দিকে তিনি বলেন, স্থানীয় লোকজন, সড়ক বিভাগ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মিলে সড়কের মাটি সরানোর কাজ করছেন। আধা ঘণ্টার মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

0

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সঠিকতা বজায় রাখতে হবে।’

আজ সোমবার (১ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিব বলেন, বাজেট পাশ হয়েছে তাই এর সঠিক বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে গতকাল রোববার (৩০) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে পাস হয়। সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৪ পাসের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। আজ সোমবার (১ জুলাই) থেকে তা কার্যকর শুরু হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী গত ৬ জুন জাতীয় সংসদে ‘টেকসই উন্নয়নের পরিক্রমায় স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রা’ স্লোগান সংবলিত এই বাজেট পেশ করেন।

সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে ‘স্থবির’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

0

সার্বজনীন পেনশনে ‘প্রত্যয়’ স্কিমকে ‘বৈষ্যম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে তা প্রহ্যারেরর দাবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সশরীরে এবং সান্ধ্যকালীন ক্নাস বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া মিডটার্ম, ফাইনাল, মৌখিক ও ভর্তি পরীক্ষাসহ কোনো ধরনের পরীক্ষাই নেওয়া হচ্ছে না।

কর্মবিরতির প্রথম দিনে সোমবার দুপুরে শিক্ষকরা ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাশরিক হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলমান থাকবে। এ কর্মসূচির সাথে নতুন কোনো কর্মসূচি যুক্ত হবে কি না, তা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন সিদ্ধান্ত নেবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নতুন পেনশন কর্মসূচি ‘প্রত্যয়’ প্রত্যাহার করে স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে রোববার পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেন। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্ধ দিবস কর্মবিরতি পালন করেন। বিকালে শিক্ষক সমিতি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাতটি কর্মসূচির ঘোষণা করেন।

কর্মসূচি

• জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের/ইন্সটিউটের ক্লাস সমূহ বন্ধ থাকবে

• অনলাইন, সান্ধ্যকালীন, শুক্রবার ও শনিবারের প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস ও অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

• মিডটার্ম, ফাইনাল, মৌখিক ও ভর্তি পরীক্ষাসহ কোন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবেনা।

• বিভাগীয় অফিস, সেমিনার, কম্পিউটার ল্যাব ও গবেষণাগার বন্ধ থাকবে। অ্যাকাডেমিক কমিটি, পরিকল্পনা কমিটি, প্রশ্নপত্র সমন্বয় ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত হবেনা।

• ভর্তি পরীক্ষা সহ ডিন অফিসের সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

• কোন সেমিনার, কনফারেন্স ও ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হবে না।

• দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষক প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব পালন করবেন না।

শিক্ষকদের এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে আন্দোলন ডাকার কারণে শিক্ষার্থীরা সেশনজটের আশঙ্কা করছেন।

বাংলা বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রিদুয়ান ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,

“নিজেদের স্বার্থচিন্তার পাশাপাশি আমাদের কথাও ভাবা উচিত শিক্ষকদের। কোভিড মহামারীর কারণে ইতোমধ্যে আমরা প্রায় এক বছর পিছিয়ে গেছি। ২০২৩ সালে আমাদের অনার্স শেষ হওয়ার কথা ছিল, ২০২৪ এ এখন আমরা চতুর্থ বর্ষে।

“এখন শেষ বর্ষে এসে যদি আবার আটকা পড়ি, তাহলে তো চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়ব। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছে, দেশের বাইরে যাবে অনেকে। আন্দোলন দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকলে সবাই তো পিছিয়ে পড়বে প্রতিযোগিতামূলক জায়গাগুলো থেকে।”

অধিকাংশ বিভাগে সেমিস্টার ফাইনাল জুলাইয়ে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষকদের এই আন্দোলনের কারণে পরীক্ষা যথাসময়ে হওয়া নিয়ে শঙ্কিত গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী চয়ন কৃষ্ণ দেব।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই শিক্ষার্থী বলেন, “ ১০ জুলাই থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা আমাদের। আমরা যাদের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে ঢোকার পরিকল্পনা করছি তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ স্বাভাবিকভাবেই দেরি হয়, এখন আরো দেরি হবে। সব থেকে বড় যেই বিষয়ে শিক্ষকগণ বেতনভাতা সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে এরপর তাদের নির্ধারিত কাজ বন্ধ করে দিচ্ছেন। আমরা শিক্ষার্থীরা তো কোন অন্যান্য করিনি, তবে আমাদের কেন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।”

আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দিকটাও যাতে নজরে আনতে শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

৩ জুলাই থেকে অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। এখন পরীক্ষা হবে কি হবে না তা নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী অপূর্ব কর্মকার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চেয়ারম্যান স্যার বলেছেন, দাবি আদায় হলে পরীক্ষা হবে, নয়তো হবেনা। এটা কেমন কথা? বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই এমন খারাপ অভিজ্ঞতার সম্মুখিন হতে হচ্ছে।”

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মাশরিক হাসান বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে দেওয়া যায়, তা নিয়ে ইতোমধ্যে তারা একটি মিটিং করেছেন।

“আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের দাবি আদায় হয়ে গেলে অতিরিক্ত ক্লাস, অনলাইন ক্লাস নিয়ে ক্ষতিটা পূরণ করবো।’

গত মার্চ মাসে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আগের চারটি স্কিমের সঙ্গে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামের একটি প্যাকেজ চালু করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন সব ধরনের স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২০২৪ সালের ১ জুলাই পরবর্তী সময়ে যোগ দেওয়া কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা।

শিক্ষক সমিতির অভিযোগ, এ স্কিম ‘বৈষম্যমূলক’। এতে আগামী ১ জুলাই এবং এর পরে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

কিন্তু বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয় স্কিম’ বাতিল না হওয়ায় রোববার সারাদেশে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা আসে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে।

অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ভারত

0

পর্দা নামল ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সবচেয়ে বড় আসর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা নাটকীয় ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এবারের আসর। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল ভারত। আর এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে অনন্য এক রেকর্ড গড়ল রোহিতরা। যা নেই আর কোনো দলের।

এবারই প্রথম আইসিসির কোনো বিশ্বকাপ ইভেন্টের ফাইনালে উঠেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তাই ট্রফি জিতলে এটিই হতো তাদের প্রথম বিশ্বকাপ। আগেই জানা গিয়েছিল যে, ভারত কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা যে দলই জিতুক না কেন, এবারই প্রথমবার কোনো দল অপরাজিত থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে যাচ্ছে। ফাইনালসহ এবারের আসরে খেলা নয়টি ম্যাচের সবগুলো ম্যাচই জিতেছে ভারত।

ভারত সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ২০০৭ সালে এই ফরম্যাটের প্রথম আসরে। তাই, আজ শেষ হলো তাদের ১৭ বছরের প্রতীক্ষা। অন্যদিকে, ১৯৯২ সাল থেকে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব আসরে খেললেও এবারই প্রথম ফাইনালে উঠতে পেরেছে প্রোটিয়ারা। তবে, এবারও খালি হাতেই ফিরতে হলো প্রোটিয়াদের। এর আগে শ্রীলঙ্কা ২০০৯ সালে, অস্ট্রেলিয়া ২০১০ সালে এবং ভারত ২০১৪ সালে পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত থেকে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি।

নাইজেরিয়ায় আত্মঘাতী হামলায় ১৮ জন নিহত

0

নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একাধিক আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ১৯ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২৯ জুন) এসব হামলা ঘটে। জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেছেন, তিনটি হামলার একটি গোওজা শহরে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে চালানো হয়। এক শিশুকে পিঠে বেঁধে নিয়ে এক নারী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার চলাকালে বিস্ফোরণ ঘটায়। অপর হামলাগুলো একটি হাসপাতাল এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে আহতদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।

বর্নো রাজ্যের জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, এসব হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৪২ জন আহত হয়েছে।

সংস্থার প্রধান বারকিন্ডো সাইদো বলেছেন, নিহতদের মধ্যে শিশু, গর্ভবতী নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছে। মারাত্মক আহত ১৯ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বোকো হারাম জঙ্গিরা ২০১৪ সালে গোওজা শহরটি দখল করে। পরে নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী ২০১৫ সালে চাদের বাহিনীর সহায়তায় গোওজা পুনরুদ্ধার করে। তবে সে সময় থেকে বোকো হারাম এ অঞ্চলে তাদের হামলা অব্যাহত রেখেছে। অব্যাহত সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৪০ হাজারেরও বেশি লোক নিহত এবং প্রায় ২০ লাখ লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। কেবল নাইজেরিয়ায় নয়, সহিংসতা ছড়িয়েছে নাইজার, ক্যামেরুন ও চাদে।

বিনিয়োগকারীদের মূলধন ফিরেছে ১৭ হাজার ৮৫৯ কোটি টাকা

0

বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ জুন-২৭ জুন) ইতিবাচক প্রবণতায় দেশের উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫৯ কোটি টকাা। পাশপাাশি লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৪৯ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে এই তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহশেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ৫০৮ কোটি টাকায়। যা সপ্তাহের শুরুতে উদ্বোধনী মূলধন ছিল ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ৩ শতাংশ বা ১৭ হাজার ৮৫৯ কোটি টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে টাকার অংকে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮০২ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে যা ছিল ১ হাজার ৮৮২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে মোট লেনদেন বেড়েছে ৯১৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

বিদায়ী সপ্তাহে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে যা ছিল ৩৭৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে গড়ে লেনদেন বেড়েছে ৪৯ শতাংশ।

সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসই প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৫৫ পয়েন্টে। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৫ হাজার ২৪৪ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ১১১ পয়েন্ট।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩০০টির, অপরিবর্তিত ছিল ৩২টির এবং ৬৪টির দর কমেছে।

ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ইউনিলিভার কনজুমার কেয়ার। কোম্পানিটির ৪৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

অন্যদিকে, সপ্তাহজুড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ওয়ালটন হাইটেক।সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৪৬.২০ শতাংশ।

অপরদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের। এক সপ্তাহে শেয়ারটির দর কমেছে ১৫.৭৯ শতাংশ।

ভারতের সাথে আলোচনায় বাংলাদেশ কি কূটনৈতিক দুর্বলতার পরিচয় দিচ্ছে?

0

বাংলাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো দাবি করছে ভারতের সাথে আলোচনায় নিজেদের দাবি বা স্বার্থ আদায়ে কূটনৈতিক সক্ষমতার পরিচয় দিতে পারছে না বাংলাদেশ। তারা মনে করেন, এ কারণেই ভারত তার চাওয়াগুলো আদায় করতে পারলেও বিনিময়ে বাংলাদেশ কী পাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

বিরোধী নেতারা বলছেন সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তৈরি হওয়া ‘নতজানু পররাষ্ট্রনীতির’ কারণেই আলোচনার টেবিলে শক্তভাবে কথা বলতে পারছে না বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।

“ভারতীয়দের সামনে সরকার দুর্বল বলেই কূটনীতিকরা কাজ করতে পারে না। আর সে কারণেই ভারত তার ইচ্ছেমতো সব কিছু পাচ্ছে,” বলছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ড. এ কে আবদুল মোমেন অবশ্য বলছেন কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দুর্বলতা নেই, তবে ব্রিটিশদের হাতে তৈরি ভারতীয় আমলাতন্ত্র ‘দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় পুষ্ট এবং অনেক পরিপক্ব’।

“বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অনেকটাই ভিন্ন। এখানে দুই প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ অত্যন্ত নিবিড়। তাদের মধ্যে ক্যারিশম্যাটিক একটি সম্পর্ক থাকায় আমলাতন্ত্রের ভূমিকা কম। এজন্যই স্থল সীমান্ত চুক্তির মতো কঠিন কাজ বাস্তবায়ন করা গেছে। এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা এসেছে,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলছেন পলিসি লাইন সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে আসে এবং কূটনীতিকরা সেটিকে বাস্তবায়নে কাজ করেন।

“সেক্ষেত্রে রাজনীতিকরা যতটুকু স্পেস দেন, কূটনীতিকরা সেটুকুই প্রয়োগ করতে পারেন। তবে কূটনীতিকদের পেশাগত মতামত ও রাজনৈতিক নেতাদের পরিকল্পনা ও নির্দেশনার সমন্বয় হলে আলোচনার টেবিলে শক্ত অবস্থান তৈরি করা যায়।”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরে দুই দেশের মধ্যে দশটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক মাধ্যমে রেল ট্রানজিটসহ কিছু বিষয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকার।

বক্তৃতা বিবৃতিতে অনেকেই অভিযোগ করছেন যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাগুলোতে বাংলাদেশ কিংবা বাংলাদেশের কর্মকর্তারা সক্ষমতার পরিচয় দিতে পারছেন না।