Tuesday, March 3, 2026
Home Blog Page 10

সাবেক বিমানবাহিনী প্রধানসহ ১৬ জনের বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ, হান্নানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

0

বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আবদুল হান্নানের ৩৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া শেরপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আতিউর রহমান ও তাঁর স্ত্রী শান্তনা বেগমের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। আর শিল্পগোষ্ঠী সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জয়নুল হক সিকদারের স্ত্রী মনোয়ারা সিকদারসহ ১৪ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন আজ শনিবার এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষ থেকে আদালতকে বলা হয়েছে, সাবেক বিমানবাহিনীর প্রধান শেখ আবদুল হান্নানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

দুদক লিখিতভাবে আদালতকে বলেছে, শেখ আবদুল হান্নানের ৩৮টি ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। সর্বশেষ তাঁর ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা জমা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি ব্যাংক হিসাবের অর্থ হস্তান্তর বা রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। আদালত শুনানি নিয়ে সাবেক বিমানবাহিনীর এই প্রধানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন।

সাবেক এমপির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

সাবেক সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী শান্তনা বেগমের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করে দুদক। দুদকের আবেদনে বলা হয়, আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। শুনানি নিয়ে আদালত আতিকুর ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন।

মনোয়ারাসহ ১৫ জনের নিষেধাজ্ঞা

সিকদার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জয়নুল হক সিকদারের স্ত্রী মনোয়ারা হক সিকদার, তাঁর মেয়ে পারভীন হক সিকদারসহ ১৫ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে দুদক। শুনানি নিয়ে আদালত তাঁদের প্রত্যেকের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন।

বাকি যে ১৩ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন মোহাম্মদ শরীফ উজ্জামান, ইসমাইল, ফজলে রাব্বি, তাওসিফ সাইফুল্লাহ, আরিফ হাসান, সৈয়দ রইস উদ্দিন, এ এস এম বুলবুল, এম এ ওয়াদুদ, চৌধুরী মোসতাক আহমেদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, খলিলুর রহমান, মাবরুর হোসেন ও রজব আলী।

দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখা থেকে ব্রডওয়ে রিয়েল এস্টেটের নামে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ৪৯০ টাকা ঋণ দিয়ে সেটি আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত মনোয়ারা, পারভীনসহ ১৫ জন বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে দুদক জানতে পেরেছে। আদালত তাঁদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন।

রিশাদের ৩ উইকেট, পুরস্কার হিসেবে হাতে আইফোন

0

পুরস্কার দেওয়া হবে চারটি। তিনটি দেওয়া শেষ। সর্বশেষটা কে পেতে পারেন —    লাহোর কালান্দার্সের পরিচালক সামিন রানা এই প্রশ্নটি ছুড়ে দিলেন ড্রেসিংরুমে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে। খানিকক্ষণ সবাই চুপ। হুট করে একটা নাম শোনা গেলে—রিশাদ। হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত রিশাদের হাতেই সেই পুরস্কার উঠেছে। আর এই বিশেষ পুরস্কারটি হচ্ছে আইফোন।

লাহোর ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যাচ জয়ের পর ভালো পারফরমারদের পুরস্কৃত করে থাকে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ৩ উইকেট নেওয়ায় রিশাদের হাতে গেছে বিশেষ পুরস্কারটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি লাহোর কালান্দার্সের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে।

কাল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৩ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রিশাদ। আউট করেছেন শাদাব খান, সালমান আগা ও জিমি নিশামকে, এরা ইসলামাবাদের মূল ব্যাটসম্যান। এলিমিনেটরে কিন্তু এই রিশাদ দলে ছিলেন না। কোয়ালিফায়ারের জন্য তাঁকে দলে ফেরানো হয়।

পুরস্কার তুলে দেওয়ার আগে রিশাদকে দলে ফেরানোর গল্পটাও বলেছেন সামিন রানা। পাকিস্তান পেসার জামান খানের জায়গায় রিশাদকে খেলানো কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল বলে জানান তিনি। রিশাদকে প্রশংসায় ভাসিয়ে এরপর তিনি বলেছেন, ‘সত্যিই রিশাদ তুমি আমাদের গর্বিত করেছ। তুমি চাপে ছিল তখন তুমি ওদের মূল ব্যাটসম্যানদের আউট করেছ, যারা স্পিনের বিপক্ষে ভালো বলেই ধরা হয়। তোমার জন্য থাকছে আইফোন।’
সামিন রানা শেষটা করেন এভাবে—আমি তোমাকে ভালোবাসি।

পিএসএলে রিশাদ এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৬ ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ১২টি। ওভারপ্রতি রান খরচ করেছেন ৯.১০।

এদিন আইফোন পেয়েছেন পেসার সালমান মির্জাও। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেওয়া এই পেসার এর আগের একবার আইফোন জিতেছিলেন। আর বাকি দুটি পুরস্কার পেয়েছেন কুশল পেরেরা ও মোহাম্মদ নাঈম।

‘বিয়ের পর আমার ভাগ্য খুলে গেছে’ বললেন মেহজাবীন

0

গত বছরের ডিসেম্বরে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন চৌধুরী। শঙ্খ দাশগুপ্তর সিনেমাটিতে মালতী চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান। গতকাল সন্ধ্যায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ২৬তম আসরে ‘প্রিয় মালতীর’ জন্য জোড়া পুরস্কার পেয়েছেন মেহজাবীন। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভক্ত-অনুসারীদের সঙ্গে পরিবারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান অভিনেত্রী।

গতকাল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ২৬তম আসরের শুরুর দিকেই মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন। উপলক্ষ ‘প্রিয় মালতী’। এবারের আসরে সেরা চলচ্চিত্রের (পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র/চলচ্চিত্র) পুরস্কার পায় ‘প্রিয় মালতী’।

পুরস্কার গ্রহণ করার কথা সিনেমাটির প্রযোজক আদনান আল রাজীবের। কিন্তু নিজের সিনেমা ‘আলী’র প্রদর্শনী নিয়ে এই নির্মাতা ও প্রযোজক ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে। তাই নির্মাতা, সহপ্রযোজকের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন মেহজাবীন।

পরে ‘প্রিয় মালতী’র জন্য আরও দুবার মঞ্চে যান অভিনেত্রী। কারণ, সমালোচক ও তারকা জরিপ—দুই বিভাগেই ‘প্রিয় মালতী’র জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

নিজের মুক্তি পাওয়া প্রথম সিনেমাতেই জোড় পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসার কারণে এতগুলো বছর ধরে আমি এই পুরস্কার পেয়ে যাচ্ছি। “প্রিয় মালতী”র জন্য পেয়ে আরও ভালো লাগছে; কারণ, “প্রিয় মালতী”র মতো গল্প আরও হওয়া উচিত।’

আরও বেশি নারীপ্রধান সিনেমা নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে মেহজাবীন আরও বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে সব ধরনের গল্প হবে, সব ধরনের সিনেমা হবে কিন্তু নারীদের নিয়ে নারী-প্রধান যে গল্পগুলো থাকে, সেগুলোকে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। দেখা যায়, নারীপ্রধান গল্প মানেই একটা স্ট্রাগলের (সংগ্রাম) গল্প হবে বা একটু আর্ট ফিল্ম হবে; এমনটাই ধারণা থাকে সবার। ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ (পরিবর্তন) হচ্ছে, গল্প বলার ধরনও বদলাচ্ছে; এ পরিবর্তনটাকে আমাদের স্বাগত জানানো উচিত।’

জোড়া পুরস্কার জয়ে সন্ধ্যায় স্বামীকে মিস করছেন জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘আমার মনে হয় বিয়ের পর আমার ভাগ্য খুলে গেছে।’

৩৬৫ কোটি টাকার ম্যাচে হামজা, নজরে ইতিহাস

0

আজ লন্ডনের ওয়েম্বলিতে চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে–অফের ফাইনালে সান্দারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে হামজা চৌধুরীর শেফিল্ড ইউনাইটেড। এই ম্যাচের জয়ী দল সামনের মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে খেলবে। বিশ্বজুড়ে সব দেশের প্রিমিয়ার লিগে উত্তরণ, অবনমন সাধারণ ঘটনা। আর সেই নিয়মের অংশ হিসেবেই প্রতিবছর নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্লাব নিচের স্তর থেকে ওপরের স্তরে ওঠে। শেফিল্ড–সান্দারল্যান্ডের ম্যাচও তেমনই একটি।

তবে আজকের শেফিল্ড–সান্দারল্যান্ড ম্যাচটি অন্য সব প্লে–অফ ম্যাচের তুলনায় ভিন্ন। চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে–অফ ফাইনালকে বলা হয়ে থাকে ‘ফুটবলের সবচেয়ে দামি ম্যাচ’। এমনই দামি যে এই ম্যাচের জয়ী দলের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে প্রায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬৫ কোটির বেশি টাকা।

চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে–অফ ফাইনাল এত বেশি অর্থের ম্যাচ হয়ে ওঠার কারণ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক সামর্থ্য। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থকরী লিগটিতে প্রতি মৌসুমে খেলে ২০টি দল। প্রতিবছর পয়েন্ট তালিকার শেষ তিনটি দল দ্বিতীয় স্তর তথা চ্যাম্পিয়নশিপে নেমে যায়। আর চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে শীর্ষ দুটি দল ও প্লে–অফের মাধ্যমে আরেকটি দল উঠে আসে। এ বছর এরই মধ্যে চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রিমিয়ার লিগে জায়গা করে নিয়েছে লিডস ইউনাইটেড ও বার্নলি। তৃতীয় জায়গাটির লড়াই চলছে সান্দারল্যান্ড ও শেফিল্ডের মধ্যে।

শেফিল্ড ২০২৩–২৪ মৌসুমেও প্রিমিয়ার লিগে খেলেছে, তবে টিকে থাকতে পারেনি। আর ২০১৭ সালে অবনমিত হওয়ার পর সান্দারল্যান্ড এখনো প্রিমিয়ার লিগে ফিরতে পারেনি। দুই ক্লাবের সামনে প্রিমিয়ার লিগে ফেরার পাশাপাশি বড় অঙ্কের অর্থ হাতছানি দিচ্ছে একাধিক কারণে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের মধ্যে সম্প্রচারস্বত্ব ও স্পনসরশিপ থেকে পাওয়া আয় ভাগ করে দেয়। এ ছাড়া ম্যাচ ডে থেকেও আসে ভালো আয়। সিবিএস স্পোর্টস বলছে, সব মিলিয়ে প্রিমিয়ার লিগে উঠলেই একটি দল প্রায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলারের মতো আয় করে থাকে।

২০২০ সালে আর্থিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেলয়েটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে–অফ ফাইনালে জেতা দল ১৬.৭ কোটি থেকে ৩২.৮ কোটি ডলার পর্যন্ত বাড়তি আয়ের মালিক হতে পারে। ২০২০–২১ মৌসুমের অফিশিয়াল তথ্যই বলছে, সে মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের ২০টি দলের মধ্যে শুধু সম্প্রচার আয় বাবদই ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল। ইংল্যান্ড এবং বাকি বিশ্ব—দুই শ্রেণির সম্প্রচার আয়ই দেওয়া হয়। প্রিমিয়ার লিগে ওঠার পর যে দল যত বেশি সময় টিকে থাকে, আয়ের পরিমাণও তত বাড়ে।

কোনো দল চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রিমিয়ার লিগে ওঠার এক মৌসুম পরই যদি আবার নেমে যায়, তবু ‘প্যারাশুট মানি’ নামে একটি অংশ পায়, যা তিন বছর ধরে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের হামজা মূলত লেস্টার সিটির খেলোয়াড়, শেফিল্ডে খেলছেন ধারে।

মৌসুম শেষে লেস্টারে ফিরে যাবেন, নাকি শেফিল্ড তাঁকে কিনে নেবে, সেটা আপাতত অজানা। তবে শেফিল্ডের হয়ে মৌসুমের শেষবেলায় ‘ফুটবলের সবচেয়ে দামি ম্যাচ’টাই খেলতে যাচ্ছেন তিনি। শেফিল্ড–সান্দারল্যান্ড ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ১ মিনিটে।

ঢাকাসহ ১১ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা

0

আজ দুপুর ১টার মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১১ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

শনিবার (২৪ মে) ভোর ছয়টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পদত্যাগ নিয়ে গুঞ্জন, ইউনূসের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র আগ্রহ

0

ক্ষোভ ও হতাশা থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করতে চাইছেন, এমন খবর তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সারা দেশে। এ নিয়ে বিএনপিসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকেই আলাপ-আলোচনা শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, অধ্যাপক ইউনূস পদত্যাগ করুন, কোনো দলই সেটা চায় না। তবে দলগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময় চায়।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠক শেষে অনির্ধারিত আলোচনায় তাঁর পদত্যাগের ভাবনার কথা বলেন। জানা যায়, এ সময় তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে নানা প্রতিবন্ধকতার কথা বলেন। প্রায়ই সড়ক আটকে আন্দোলন, সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হওয়া, রাষ্ট্রীয় কাজে নানা পক্ষের অসহযোগিতাসহ দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি। অধ্যাপক ইউনূসের পদত্যাগের ভাবনার কথা জানাজানি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

এর আগের দিন বুধবার ঢাকা সেনানিবাসে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের কিছু বক্তব্য জনসমক্ষে প্রকাশ পায়। তাতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান, তার মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠাসহ জাতীয় নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য ছিল।

আমরা তো ওনার (প্রধান উপদেষ্টা) পদত্যাগ চাই না। আমরা নির্বাচনের রোডম্যাপ চেয়েছি। তিনি কেন সেদিকে যাচ্ছেন না, সেটা আমরা জানি না। এরপরও তিনি যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে জাতি নিশ্চয়ই বিকল্প বেছে নেবে। কারণ, এটা কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, রাষ্ট্রীয় ব্যাপার।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ

এর পরদিনই অধ্যাপক ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার পদ ছাড়তে চান, এই আলোচনা আসে। এটাকে বিএনপির নেতাদের কেউ কেউ অন্তর্বর্তী সরকারের দিক থেকে কৌশলগত ‘হুমকি’ কি না, সেটিও বিবেচনায় নিচ্ছেন বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে।

অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা তো ওনার (প্রধান উপদেষ্টা) পদত্যাগ চাই না। আমরা নির্বাচনের রোডম্যাপ চেয়েছি। তিনি কেন সেদিকে যাচ্ছেন না, সেটা আমরা জানি না। এরপরও তিনি যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে জাতি নিশ্চয়ই বিকল্প বেছে নেবে। কারণ, এটা কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, রাষ্ট্রীয় ব্যাপার।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি কী ভূমিকা নেয়, রাজনীতি–সচেতন ব্যক্তিরা সে দিকেই দৃষ্টি রাখছেন। তবে বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়েছে, তাতে সম্ভাব্য সংকট বা অনিশ্চয়তা নিরসনে দলগুলোর মধ্যে একধরনের ঐকমত্য হয়েছে বলে জানা গেছে। সেটি হচ্ছে, তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করবেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতেই এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার আহ্বান জানান। জামায়াত নেতা গতকাল বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় যান। তবে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ পাননি; আজ সন্ধ্যা ছয়টায় জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বা সরকারের বিভিন্ন কাজে যুক্ত এমন কেউ কেউ এরই মধ্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গেও অনানুষ্ঠানিক কথা বলেছেন। সবার মধ্যে একটা ঐকমত্য হয় যে অধ্যাপক ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকুন। তবে তাঁকে দ্রুত নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট পথনকশা (রোডম্যাপ) ঘোষণা করতে হবে। এ ছাড়া সরকারের একজন উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবিও অনেকে আলোচনায় এনেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, তাঁরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চান। এ লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তাঁরা পথনকশা চেয়ে আসছেন। নির্বাচনের পথনকশা দিলে অনেক সংকটের সমাধান হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল শুক্রবার রাতে ফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা দেশের স্থিতিশীলতা চাই। একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। এর জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ চাওয়া কি অপরাধ? এখনকার পরিস্থিতিতে আমি বলব, সবার শুভবুদ্ধির উদয় হোক, সবার ধৈর্য ধরা উচিত। বিশেষ করে সরকারের।’

বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়েছে, তাতে সম্ভাব্য সংকট বা অনিশ্চয়তা নিরসনে দলগুলোর মধ্যে একধরনের ঐকমত্য হয়েছে বলে জানা গেছে। সেটি হচ্ছে, তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে পদত্যাগ না করতে অনুরোধ করবেন।

বিএনপি সূত্র থেকে জানা যায়, এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ চেয়ে গত মঙ্গলবার তাঁর কার্যালয়ে বার্তা পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়া না পেয়ে বিএনপি জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ তিন উপদেষ্টার অব্যাহতি চায়। এরপর রাতে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা–সংক্রান্ত খবর ব্যাপকভাবে প্রকাশ পেতে থাকে।

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করতে চান, এ খবর জানাজানির পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়। গত রাতে সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, বিএনপিকে আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতেই এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার আহ্বান জানান। জামায়াত নেতা গতকাল বেলা ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় যান। তবে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ পাননি; আজ সন্ধ্যা ছয়টায় জামায়াতের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধ্যাপক ইউনূসের পদত্যাগের ভাবনা এখনো আগের পর্যায়ে রয়েছে। এ নিয়ে সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাসহ বিভিন্ন মহল চিন্তিত। এর মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা তরুণদের দল এনসিপির নেতারা বৃহস্পতিবার রাতেই অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। ওই রাতেই বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একজন নেতার সঙ্গে এনসিপিসহ আরও কয়েকটি দলের নেতাদের অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েব আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা মনে করি, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বেই আগামী জাতীয় নির্বাচন হওয়াটা অনিবার্য। তিনি যদি পদত্যাগ করেন, তাতে যে শূন্যতা তৈরি হবে, সেটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা একেবারেই অনিশ্চিত। তাই এ ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হোক, কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের কাম্য হতে পারে না।’

অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও চায় বিভাজন কাটিয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা হোক। সে লক্ষ্যে গতকাল এক বিবৃতিতে অবিলম্বে বিচার-সংস্কার-নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন।

অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচনের সুস্পষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিপিবি। দলটির নেতারা গতকাল পল্টনে এক সমাবেশে বলেছেন, ‘সুস্পষ্ট তারিখ ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন সংস্কার করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করুন।’

অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপে ফেলে দাবিদাওয়া আদায়ের রাজনীতি ও পরস্পরবিরোধী রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ রেজাউল করীম।

সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংকট ও জটিল পরিস্থিতিতে অধ্যাপক ইউনূসের পদত্যাগ নয়; বরং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সব পক্ষকে সমঝোতামূলক সমাধানে পৌঁছার আহ্বান জানিয়েছে এবি পার্টি।

আমরা মনে করি, অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বেই আগামী জাতীয় নির্বাচন হওয়াটা অনিবার্য। তিনি যদি পদত্যাগ করেন, তাতে যে শূন্যতা তৈরি হবে, সেটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা একেবারেই অনিশ্চিত। তাই এ ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হোক, কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের কাম্য হতে পারে না।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েব আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের

ইসলামি দলগুলোতে ঐকমত্য

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধ্যাপক ইউনূসের পদত্যাগের ভাবনা এখনো আগের পর্যায়ে রয়েছে। এ নিয়ে সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাসহ বিভিন্ন মহল চিন্তিত। এর মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা তরুণদের দল এনসিপির নেতারা বৃহস্পতিবার রাতেই অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। ওই রাতেই বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একজন নেতার সঙ্গে এনসিপিসহ আরও কয়েকটি দলের নেতাদের অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়।

এ ছাড়া জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলনের আমির সৈয়দ রেজাউল করীমের মধ্যেও ফোনে কথা হয় বলে জানা গেছে। আবার ইসলামী আন্দোলনের কার্যালয়ে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ পাঁচটি দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন সৈয়দ রেজাউল করীম। সেখানে উপস্থিত ছিলেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, এবি পার্টির মহাসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, সারোয়ার তুষার প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, অধ্যাপক ইউনূসের প্রতি দেশের মানুষের আস্থা আছে, তিনি প্রত্যাশাও তৈরি করেছেন। এখন তিনি চাইলেই একটা রাষ্ট্রকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখে চলে যেতে পারেন না। এটা ক্ষোভ-অভিমানের জায়গা না। তবে কেউ তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করলে বা চাপ প্রয়োগ করলে সেটা জনগণ দেখবে, রাজনৈতিক দলগুলো দেখবে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বেই রাষ্ট্রের সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় এনসিপি। অধ্যাপক ইউনূসের পদত্যাগের আলোচনা ওঠার পর দলটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলেছে।

এ ছাড়া জামায়াতসহ ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যেও দ্রুত যোগাযোগ গড়ে ওঠে। তারা মনে করে, অধ্যাপক ইউনূস পদত্যাগ করলে দেশে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এই মুহূর্তে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য, চলমান সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ বড় ধরনের সংকটের তৈরি করবে। তিনি বলেন, ‘তাই আমরা যার যার জায়গা থেকে অনুরোধ করছি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার। তবে নির্বাচনে স্পষ্ট রোডম্যাপ দেওয়ার জন্য তাঁর প্রতি আহ্বান করব। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকে বলব, নিজ নিজ জায়গায় অনড় না থাকতে। অন্যথায় দেশ খুব ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের চারজন নেতা জানান, অধ্যাপক ইউনূস বেশ কিছু কারণে বিরক্ত। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দূরত্ব ও সেনাপ্রধানের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আগ বাড়িয়ে কথা বলা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তিতে প্রতিক্রিয়া, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে বসানোর দাবির আন্দোলন যমুনা পর্যন্ত চলে আসা এবং সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য অন্যতম।

ইউনূসের নেতৃত্বেই সংস্কার ও নির্বাচন চায় এনসিপি

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বেই রাষ্ট্রের সংস্কার এবং সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় এনসিপি। অধ্যাপক ইউনূসের পদত্যাগের আলোচনা ওঠার পর দলটি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলেছে। এনসিপির নেতাদের ধারণা, প্রধান উপদেষ্টা পদে থাকার জন্য অধ্যাপক ইউনূসকে যদি বিএনপিসহ বিভিন্ন দল অনুরোধ না করে, তিনি পদত্যাগ করার সম্ভাবনা বেশি। সে ক্ষেত্রে তাঁকে রাখতে বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীসহ বিপুল মানুষ রাস্তায় নেমে আসবেন।

গতকাল এনসিপির শীর্ষ পর্যায়ের চারজন নেতার সঙ্গে প্রথম আলোর কথা হয়। তাঁরা জানান, অধ্যাপক ইউনূস বেশ কিছু কারণে বিরক্ত। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দূরত্ব ও সেনাপ্রধানের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আগ বাড়িয়ে কথা বলা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তিতে প্রতিক্রিয়া, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে বসানোর দাবির আন্দোলন যমুনা পর্যন্ত চলে আসা এবং সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য অন্যতম।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বেই জুলাই গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কার ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে, সেটাই আমরা দেখতে চাই।’

একনেকের সভায় অধ্যাপক ইউনূস উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বলেন কি না; সেদিকেও রাজনীতিকদের দৃষ্টি রয়েছে।

দৃষ্টি আজকের একনেকের বৈঠকে

এদিকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক রয়েছে আজ। প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এ সভা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারাও থাকেন। এই সভায় অধ্যাপক ইউনূস উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বলেন কি না; সেদিকেও রাজনীতিকদের দৃষ্টি রয়েছে।

আটলান্টিকে নিখোঁজ সাবমেরিন টাইটানের শেষ মুহূর্ত ধরা পড়েছে জাহাজের ভিডিওতে

0

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে দর্শনার্থীদের আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে নিয়ে যাওয়া সাবমেরিন টাইটান নিখোঁজ হওয়ার মুহূর্তটি সাবমেরিনের সহায়ক জাহাজ থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়েছে।

২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি ওশানগেটের সাবমেরিন টাইটান পাঁচ যাত্রীকে নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুব দেয়। এর ৯০ মিনিটের মাথায় সাবমেরিনের ভেতরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যাত্রীরা সমুদ্রের ৩ হাজার ৮০০ মিটার গভীরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়ার জন্য ওশানগেটকে অর্থ পরিশোধ করেছিলেন।

সাবমেরিনের পাঁচ যাত্রী ছিলেন ওশানগেটের সিইও স্টকটন রাশ, যুক্তরাজ্যের অভিযাত্রী হ্যামিশ হার্ডিং, অভিজ্ঞ ফরাসি ডুবুরি পল অঁরি নাজোলে, ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ব্যবসায়ী শাহজাদা দাউদ এবং তাঁর ১৯ বছর বয়সী ছেলে সুলেমান। বিস্ফোরণে তাঁরা সবাই নিহত হন।

ইমপ্লোশন: দ্য টাইটানিক সাব ডিজাস্টার নামের একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরির জন্য মার্কিন উপকূল বাহিনীর (ইউএসসিজি) তদন্ত কার্যক্রমে নজিরবিহীনভাবে প্রবেশাধিকার পেয়েছে বিবিসি। ইউএসসিজি সম্প্রতি এই ভিডিও উদ্ধার করেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ওই দুর্ঘটনায় নিহত ওশানগেটের সিইও স্টকটন রাশের স্ত্রী ওয়েন্ডি রাশ সহায়ক জাহাজে একটি কম্পিউটারের সামনে বসে আছেন, যা সাবমেরিন টাইটানের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ সময় তিনি বিস্ফোরণের শব্দ শুনে বলেন, এটা কিসের শব্দ ছিল?

এই ভিডিওকে প্রমাণ হিসেবে ইউএসসিজি মেরিন বোর্ড অব ইনভেস্টিগেশনের কাছে পেশ করা হয়েছে। এই বোর্ড দুই বছর ধরে সাবমেরিনটির ভয়াবহ বিপর্যয় নিয়ে তদন্ত করছে।

ওই প্রামাণ্যচিত্রে আরও প্রকাশিত হয়েছে যে যাত্রা শুরুর এক বছর আগেই সাবমেরিনের কার্বন ফাইবারে ফাটল শুরু হয়েছিল।

আটলান্টিক মহাসাগরে ডুব দেওয়ার সময় সহায়ক জাহাজটি টাইটানের সঙ্গে ছিল। সেখানে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সাবমেরিনটি সমুদ্রের প্রায় ৩ হাজার ৩০০ মিটার গভীরতায় পৌঁছানোর পর সজোর ধাক্কা মেরে দরজা বন্ধ করার মতো একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। এ সময় ওয়েন্ডি রাশ থমকে যান এবং ওপরের দিকে তাকিয়ে ওশানগেটের কর্মীদের জিজ্ঞেস করেন, ওটা কিসের শব্দ ছিল?

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ওয়েন্ডি রাশ সাবমেরিন থেকে একটি বার্তা পান। এতে বলা হয়, তারা দুটি ভার ফেলে দিয়েছে। আর এ কারণেই সম্ভবত তিনি ভুলবশত ভেবেছিলেন। সাবমেরিনটি স্বাভাবিকভাবেই চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র কোস্ট গার্ড বলছে, আসলে শব্দটি ছিল টাইটানের ভেতরের বিস্ফোরণের শব্দ।

মূলত ওই বার্তা সাবমেরিন বিস্ফোরণের ঠিক আগে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেটি বিস্ফোরণের পর সহায়ক জাহাজে পৌঁছায়।

বিস্ফোরণে টাইটানে থাকা পাঁচজনই মারা যান।

যাত্রা শুরু করার আগে টাইটানের নকশা নিয়ে গভীর সমুদ্রবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ওশানগেটের সাবেক কিছু কর্মী সতর্ক করেছিলেন।

এক-এগারোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করার অপচেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলাম

0

গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে বাধাগ্রস্ত করে আরেকটা এক-এগারোর বন্দোবস্ত করার পাঁয়তারা চলছে বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ শুক্রবার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশের রাজনীতিকে সব ধরনের আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করে স্বাধীন ও সার্বভৌমভাবে পরিচালনা করাই তাঁদের লক্ষ্য বলে ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে বারবার বিভাজিত করা হয়েছে, জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করা হয়েছে, বাংলাদেশেকে দুর্বল করে রাখার লক্ষ্যে।’

নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পর থেকে আবারও দিল্লি থেকে ছক আঁকা হচ্ছে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করার, দেশকে বিভাজিত করার। গণতান্ত্রিক রূপান্তরকে বাধাগ্রস্ত করে আরেকটা এক-এগারোর বন্দোবস্ত করার পাঁয়তারা চলছে।’

এই পরিস্থিতিতে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক, বাংলাদেশপন্থী ও ধর্মপ্রাণ ছাত্র-জনতাকে সার্বভৌমত্ব, সংস্কার ও জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার ও সৈনিকদের সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশ রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি প্রত্যাশা জানিয়ে নাহিদ বলেছেন, ‘ড. ইউনূসকে জনগণকে দেওয়া সংস্কার, বিচার ও ভোটাধিকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে। ওনাকে দায়িত্বে থেকেই রাজনৈতিকভাবে সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে।’

ফেসবুক পোস্টে নিজেদের দাবিগুলোও তুলে ধরেছেন নাহিদ ইসলাম। দাবিগুলো হলো, জুলাই ঘোষণাপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দিতে হবে, ঘোষিত টাইম ফ্রেমের (সময়সীমা) মধ্যেই নির্বাচন হবে, নির্বাচনের আগে মৌলিক সংস্কারের জুলাই সনদ রচিত হবে, নির্বাচনের আগে জুলাই গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান হবে ও বিচারের রোডম্যাপ (রূপরেখা) আসতে হবে এবং নতুন সংবিধানের জন্য গণপরিষদ ও আইনসভার নির্বাচন একই সঙ্গে দিতে হবে।

বিএনপির প্রতি সারজিসের আহ্বান

0

নির্বাচনের রোডম্যাপের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে গণহত্যার বিচার, মৌলিক সংস্কার ও শেখ হাসিনার বিচারের রোডম্যাপ চাওয়ার জন্য বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। 

শুক্রবার (২৩ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান তিনি। 

ওই পোস্টে সারজিস লিখেন, আজকে বিএনপির সালাহউদ্দিন ভাই বলেছেন চলমান সংকট সমাধানের একমাত্র পথ নির্বাচনী রোডম্যাপ দেওয়া। এই মুহূর্তে বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। সেই হিসেবে তাদের কাছে আমাদের এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাদের দায়বদ্ধতাও সবচেয়ে বেশি।

তিনি লিখেন, সমাধানের একমাত্র পথ হিসেবে যখন নির্বাচনী রোডম্যাপের কথা বলা হয় তখন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করা সাধারণ জনগণ আশাহত হয়, শহিদ পরিবারের সদস্যরা আশাহত হয়, আহত যোদ্ধারা আশাহত হয়। কোটি মানুষ যে আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে পাঁচ আগস্টে জীবনের মায়া না করে রাজপথে নেমে এসেছিল, তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়।

এনসিপির এ নেতা লিখেন, সালাহউদ্দিন ভাইসহ বিএনপির কাছে আহ্বান থাকবে, নির্বাচনের রোডম্যাপ চাওয়ার পাশাপাশি গণহত্যার বিচারের রোডম্যাপ চান, দেশের মৌলিক সংস্কারের রোডম্যাপ চান, জুলাই গণহত্যার নির্দেশদাতা খুনি হাসিনার বিচারের রোডম্যাপ চান। 

সারজিস আরও লিখেন, এতো বড় একটা গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপির মত বড় দল সবকিছু বাদ দিয়ে খালি নির্বাচন নিয়ে কথা বললে আমরা আশাহত হই, বাংলাদেশ আশাহত হয়।

এদিক-সেদিক যাওয়ার সুযোগ নেই, জুনের মধ্যে নির্বাচন : রিজওয়ানা

0

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়সীমার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আজ শুক্রবার (২৩ মে) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, গতকাল আমাদের মিটিংয়ের পরে অনেকক্ষণ আমরা আলোচনা করেছি। আসলে মোটাদাগে আমাদের তিনটা দায়িত্ব এবং তিনটাই কঠিন কঠিন দায়িত্ব— বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। শুধুমাত্র নির্বাচন করার জন্য তো আমরা দায়িত্ব নিইনি। আরও দুইটা দায়িত্ব আছে, আমরা সেগুলো আসলে পালন করতে পারছি না।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যার যত রকম দাবি আছে সব নিয়ে তারা রাস্তায় বসে যাচ্ছে, রাস্তা আটকে দিচ্ছে। একদম ঢাকা শহর অচল হয়ে পড়ছে। সেই অচলাবস্থা নিরসনে আমরা কিছু করতে পারছি কিনা— এগুলো আলোচনা করে আমরা চিন্তা করলাম, আমাদের এই দায়িত্বটা কিন্তু জাতীয় দায়িত্ব। আমরা তো আগে থেকেই বলছি, আমরা ক্ষমতা নিইনি, দায়িত্বে আছি। এই দায়িত্বটা পালন করা তখনই সম্ভব হবে যখন আমরা সকলের সহযোগিতা পাব।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, এই যে প্রতিবন্ধকতাগুলো হচ্ছে, বড় দাগে তিনটা দায়িত্ব পালন করার জন্য, এই প্রতিবন্ধকতাগুলোকে আমরা কীভাবে মোকাবিলা করব, আদৌ মোকাবিলা করতে পারব কিনা। যদি মোকাবিলা করতে পারি কীভাবে করব, যদি মোকাবিলা করতে না পারি তাহলে আমাদের কী করণীয় হবে— আমরা সকলে মিলে এটা চিন্তা করছি।

নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় নিয়ে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেন কোনো ব্যাপারে, আমি প্রথম থেকে বলে এসেছি যে উনি একটা সময় দিয়েছেন। ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে, তার একদিনও এদিক-সেদিক হওয়ার কোনো সুযোগ আমাদের পক্ষ থেকে নেই। কাজেই এগুলো নিয়ে অন্য ধরনের কোনো কথা বলারও কোনো সুযোগ হওয়া উচিত ছিল না।

ড. ইউনূসের পদত্যাগ নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় রিজওয়ানা হাসান বলেন, কিছু কিছু গুরু দায়িত্ব আছে, সেগুলো পালনের সঙ্গেও তো মাসের একটা সম্পর্ক থাকতে পারে। ওনার যদি কোনো কিছু বলার থাকে, আমি নির্বাচনের প্রশ্নেও বলেছি, দায়িত্ব পালনের প্রশ্নেও বলেছি— ওটা আপনারা উনার (প্রধান উপদেষ্টার) কাছ থেকেই শুনবেন।